অনলাইন সংস্করণ

এ সম্পর্কিত আরও খবর

খাগড়াছড়ির আলুটিলায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী

খাগড়াছড়ির আলুটিলায় কাল বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী


খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

খাগড়াছড়িতে আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িছেন সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল মেরামতের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৪৬ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো: আমান হাসান।মাটিরাঙার ইউপি সদস্য, শান্তিময় ত্রিপুরা জানান ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর লোকজন যখন বৈসাবি উৎসব পালন করছে,ঠিক তখনী ১৫ এপ্রিল ভোর রাতে কাল বৈশাখী ঝড় আঘাত হানে মাটিরাঙা উপজেলার আলুটিলা পুনর্বাসনপাড়া, চৌদ্দকরপাড়া ও হৃদয় মেম্বারপাড়ার ওপর কালবৈশাখী আঘাত হানে। ঝড়ে ৪৭টি পরিবারের ঘর ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতি হয়েছে। ফলে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের উৎসব ম্লান হয়ে যায়। অকেকে এখনো খোলা আকাশে নিচে দিন পার করছে।স্থানীয় ইউপি সদস্য শান্তিময় ত্রিপুরা জানান, ঝড়ে ৪৭ টি পরিবার ও একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী ও প্রশাসন দাঁড়িয়েছে।

আলুটিলা পুনর্বাসনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে স্কুল ভবনের অর্ধেক অংশের চাল উড়ে গেছে। বই-খাতা, ফ্যান, সোলার প্যানেল, বোর্ডসহ আসবাব নষ্ট হয়ে গেছে। ষ্কুল খুলছে তবে ক্লাস নেওয়ার মতো পরিবেশ নেই। তিনি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দ্রæত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু করতে পারবে বলে জানান।
এদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো: আমান হাসান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি বিদ্যালয় মেরামত করে দ্রæত সময়ে ক্লাস শুরু করার জন্য ঢেউটিন,নগদ অর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেন।
এ সময় রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময় নিরহ মানুষের পাশে আছে এবং আগামীতেও থাকবে বলে প্রতিশ্রুত দেন।অপরদিকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য প্রফেসর মোঃ

আব্দুল লতিফ জানান ক্ষতিগ্রস্থ দের পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে সাহায্য ও সহযোগিতা দেয়া হবে ।
তা ছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহযোগিতা দিতে তালিকা তালিকা করা হয়েছে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার।